ভোটার আইডি কার্ড চেক 2022 নতুন নিয়মে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে nidw.gov.bd

ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য চেক করার জন্য অনেকেই জানতে চান কোথায় গিয়ে এগুলো চেক করলে ভালো হয় এবং কি ধরনের তথ্য সেখানে প্রদর্শন করা হতে পারে। তাই আপনাদের কথা ভেবে আজকে আমাদের ওয়েবসাইটে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার সঠিক নিয়ম জানিয়ে দিব এবং এই নিয়ম যদি আপনারা জেনে নিতে পারেন তাহলে দেখতে পারবেন যে আপনাদের ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য ওয়েব সাইটে দিয়ে দেওয়া আছে।

বাস্তবিক জীবনে ভোটার আইডি কার্ডের গুরুত্ব অনেক বেশি বলে অনেকে ভোটার আইডি কার্ড ব্যবহার করে থাকেন এবং বিভিন্ন জায়গায় আপনার ব্যক্তিগত পরিচয় প্রদান করার জন্য ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য প্রদান করতে হয়। কিন্তু ভোটার আইডি কার্ড হাতে না থাকার কারণে আপনি ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার অনায়াসে যে কোন মুহূর্তে অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে নিতে পারবেন এবং সেই জন্য আজকের এই পোস্ট করা হয়েছে।

এনআইডি অনলাইন কপি ডাউনলোড ২ মিনিটের মধ্যেই পাবেন

বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আপনার বয়স যখন ১৮ বছর পূর্ণ হয়ে যাবে তখন ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য নিবন্ধন করতে হবে এবং ভোটার আইডি কার্ড পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আপনি যখন ভোটার আইডি কার্ড পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন তখন আপনার হাতের ভোটার স্লিপ নাম্বার দিয়ে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আপনার ভোটার তথ্য চেক করে নিতে পারবেন অথবা আপনি যদি চান তাহলে ভোটার আইডি কার্ডের পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড nidw.gov.bd এই লিংক ব্যবহার

ভোটার আইডি কার্ড চেক 2022 নতুন নিয়মে

আইডি কার্ড তথ্য যাচাই করুন অনলাইনে

মূলত ভোটার আইডি কার্ডের যাবতীয় কাজ আপনারা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে করতে পারবেন বলে আজকে এই পোস্টে আমরা আলোচনা করতে চলেছি। তাই বর্তমান সময়ে প্রত্যেকটি ফোনের সুযোগ সুবিধা আপনারা ব্যবহার করে নিজ নিজ ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইটের দেখানোর দিকনির্দেশন অনুসরণ করবেন।

ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য চেক করার জন্য যে ওয়েবসাইটে যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা হয়ে থাকে সেই ওয়েবসাইটের ঠিকানা বা অ্যাড্রেস সম্পর্কে ধারণা অর্জন করার জন্য আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে তা প্রদান করেছি। সাধারণ জনগণ যে ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ করার জন্য https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/ এই লিংকে এখান থেকে কপি করে নিতে পারে।

তারপর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তারা নিজ নিজ কাজ সম্পন্ন করার জন্য নির্দিষ্ট অপশনে ক্লিক করবে এবং কাজ সম্পন্ন করতে পারবে। আপনি যখন ভোটার আইডি কার্ডের কাজ করতে চাইবেন অথবা ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য চেক করতে চাইবেন তখন সরাসরি ওয়েব সাইটের নিচের দিকে গেলে ভোটার তথ্য আমাকে একটি বাংলাতে অপশন পেয়ে যাবেন।

আর যদি তা না পেয়ে থাকেন তাহলে আপনাদেরকে উপরের ডানদিকে ৩.মি তে ক্লিক করতে হবে এবং সেখানে ভোটার তথ্য নামক যে অপশন রয়েছে সেখানে ক্লিক করতে হবে। এখানে আপনি যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার প্রদান করতে পারেন তাহলে তা দিয়ে দিবেন অথবা আপনার ভোটার তথ্য নিবন্ধনের ফরম নম্বর প্রদান করবেন।

তবে যাই হোক দুইটি তথ্যের মধ্যে যেকোনো একটি তথ্য প্রদান করতে হবে এবং জন্ম তারিখ ক্রমানুসারে প্রবেশ করতে হবে। অর্থাৎ আপনার জন্মদিন এবং জন্ম মাস উল্লেখ করার পাশাপাশি জন্ম সাল ক্রমানুসারে দিয়ে দেওয়ার পরে নিচের দিকের যে ক্যাপচা রয়েছে তা লক্ষ্য করবেন। ক্যাপচা সঠিক করে বসিয়ে সাবমিট কার্ড নিয়ে ক্লিক করার মাধ্যমে আপনার পড়ার তথ্য যাবতীয়ভাবে সেখান থেকে চেক করে নিতে পারবেন।

Related Articles

One Comment

  1. ১৩ বছর বয়স হলেও আইডি কার্ড পেতে পারেন। আপনি লিখেছেন ১৮ বছর

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button