স্মার্ট কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম ২০২৩

অনলাইনের মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করা যাচ্ছে বলে আপনারা হয়তো অরজিনাল স্মার্ট কার্ডের মত করে এটা ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন। তাই আপনাদের সুবিধার্থে আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে স্মার্ট কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম নিয়ে আলোচনা করব এবং আপনার যদি এই নিয়ম আসলেই অনুসরণ করতে চান তাহলে শেষ পর্যন্ত আমাদের ওয়েবসাইটের প্রদান করা বাংলা এই তথ্য নির্ভর পোস্ট পড়বেন।

আপনাদের সুবিধার্থে আমরা দৈনন্দিন জীবনে কাজ করে যাচ্ছে বলে এবং ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো প্রদান করে আসছি বলে আপনারা এগুলো জানতে পারেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করতে পারেন। তাই ভোটার আইডি কার্ডের অরিজিনাল কপি থাকার পাশাপাশি আপনারা যদি এটার সফট কপি বা পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করে সংগ্রহ রাখতে চান তাহলে রাখতে পারেন এবং এটা আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে।

অনলাইনের মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করে নেয়ার পরে আপনারা যখন এই নাম্বারটি ফটোকপি করে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চান তখন আপনারা তা করতে পারবেন এবং এই ক্ষেত্রে খুব সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। তাই বর্তমান সময়ে ভোটার আইডি কার্ডের তথ্যের জন্য অপেক্ষা না করে তথ্য নিবন্ধন করার ৬ মাস পর আপনারা যদি ওয়েবসাইট ভিজিট করেন এবং সঠিক তথ্য প্রদান করতে পারেন তাহলে এটা আপনাদেরকে ডাউনলোড করার সুযোগ প্রদান করা হবে। নিচের দিকে আপনাদের সুবিধার্থে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম জানিয়ে দেওয়া হলো এবং ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার পূর্বে অবশ্যই আপনারা প্লে স্টোর থেকে এনআইডি ওয়ালেট নামক একটা সফটওয়্যার ডাউনলোড করে রাখবেন।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের এ সফটওয়্যার ডাউনলোড করার মধ্য দিয়ে সঠিকতা অবলম্বন করতে পারবেন এবং যার ভোটার আইডি কার্ড তার উপস্থিতিতে এটা ডাউনলোড করতে পারবেন। তাই ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার জন্য আপনারা বর্তমান সময়ে যে ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন সেটার লিঙ্ক হলো https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/ ‌। এই লিংক ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনারা অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে পারবেন এবং স্মার্ট ভোটার আইডি কার্ডের হুবহু কপি সেখানে না পেলেও পেপার লেমিনেটিং ভার্সন পেয়ে যাবেন যেটা আপনার দৈনন্দিন জীবনের প্রাতিষ্ঠানিক কাজের ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হবে না। ওয়েবসাইট ভিজিট করার পর আপনারা একটা একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে চান এবং রেজিস্টার করুন নামক যে অপশন রয়েছে সেখানে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যাবেন।

এরপরে আপনাদেরকে আমরা ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য পাওয়ার জন্য ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার অথবা ভোটার স্লিপের নাম্বার প্রদান করার কথা বলব এবং দুটি তথ্যের ভেতরে যে কোন একটা তথ্য প্রদান করার পরে জন্ম তারিখ সংক্রান্ত এবং ক্যাপচা কোড প্রথম পেজে প্রদান করবেন। পরবর্তী পেজে গেলে আপনাদেরকে ঠিকানা সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করার কথা বলা হবে এবং প্রত্যেকটি তথ্য অপশনের মাধ্যমে পাবেন বলে আলাদাভাবে কোন তথ্য লেখার প্রয়োজন নেই। তথ্যগুলো সম্পন্ন করার পর আপনারা পরবর্তীতে ফিরে যাবেন এবং সেখানে যে মোবাইল নাম্বার দেখানো হবে সেই নাম্বার চালু থাকলে বার্তা পাঠান অপশনে ক্লিক করবেন এবং আপনার ফোনে একটি এসএমএস আসবে যেখানে যাচাই
কোড উল্লেখিত থাকবে।

ওয়েব সাইটে আপনারা এই কোড লিপিবদ্ধ করার পর এনআইডি ওয়ালেট এর অপশনে যেতে বলবে এবং সেটা ডাউনলোড করা আছে বলে অ্যাপসের প্রবেশ করে যার ভোটার আইডি কার্ড তার মুখমন্ডল বিভিন্ন দিক থেকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখাতে হবে। সফটওয়্যার এর কাজ শেষ হলে আপনারা সরাসরি অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে চলে আসবেন এবং সেখানে এসে আপনারা একটি নির্দিষ্ট ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড সেট করে আপনার একটি পরিপূর্ণ প্রোফাইল ওপেন করতে পারবেন। নিজের প্রোফাইলে ডাউনলোড অপশনে গেলে আপনারা ভোটার আইডি কার্ডের ছবিসহ এবং ভোটার আইডি কার্ডের পেপার লিমিনেটিং ভার্সন পিডিএফ ফাইল আকারে পেয়ে যাবেন এবং সেটা ডাউনলোড করার মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনে সংরক্ষণ করতে পারবেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button