ভোটার আইডি কার্ড বাতিল করার নিয়ম

আপনি যদি ভোটার আইডি কার্ড বাতিল করার নিয়ম সম্পর্কে অবগত হতে চান তাহলে আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড কিভাবে বাতিল করবেন তা জেনে নিন। বিভিন্ন সময়ে অবস্থানগত কারণে দেখা যায় যে আমরা ভোটের আইডি কার্ড দুই জায়গায় থেকে তৈরি করে নিই। কিন্তু সর্বশেষ তথ্য হালনাগাদ অনুযায়ী আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র একটি থাকতে হবে এবং একাধিক থাকলে এটা আইনত দণ্ডনীয় এবং এক্ষেত্রে আপনার জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।

তাই আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানার উপরে ভিত্তি করে যদি ভোটার আইডি কার্ড দুইটি তৈরি করে নেন তাহলে আজকেই তা সংশোধন করে নিন এবং নির্দিষ্ট একটি ভোটার আইডি কার্ড ব্যবহার করুন। এতে আপনি ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করার ব্যাপারে সচেতনতা অবলম্বন করে কাজ করতে পারবেন এবং কোন ধরনের ঝামেলার সৃষ্টি হবে না। যাইহোক আপনারা ভোটার আইডি কার্ড যদি একাধিক তৈরি করেন অথবা ভোটার আইডি কার্ডের জন্য অনলাইনে আবেদন করেন তাহলে আপনাদেরকে বলবো যে এটি সংশোধন করে নিন।

একাধিক ভোটার আইডি কার্ড তৈরি নেই এবং বাংলাদেশ সরকার প্রত্যেকটি ব্যক্তির জন্য একটি করে ভোটার আইডি কার্ড নির্ধারণ করেছেন। বিশেষ করে আপনি যে স্থায়ী ঠিকানায় বসবাস করেন সেই স্থায়ী ঠিকানার ক্ষেত্রে ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করতে হবে। আর যদি ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করার ব্যাপারে আপনি সচেতনতা অবলম্বন না করে না অথবা চালাকি করে দুইটি ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করে নেন তাহলে ভোটার আইডি কার্ড বাতিল করতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ড বাতিল করার নিয়ম সম্পর্কে আপনাদেরকে জানাতে চাই যে ভোটার আইডি কার্ড বাতিল করতে হলে আপনারা আপনাদের উপজেলার সার্ভার স্টেশনে চলে যাবেন। সেখানেই কেউই আপনাদের সমস্যার কথা বললে তারা যে পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করে আপনাকে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে বলবে সেগুলো অনুসরণ করবেন।

আমরা যারা এই ভোটার আইডি কার্ড বাতিল করার নিয়ম জানি না অথবা ভোটার আইডি কার্ডের জন্য অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নতুন নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে এমন আবেদন যদি পরিবর্তন করতে চাই তাহলে সরাসরি কাউকে কিছু জিজ্ঞেস না করে আপনারা যদি উপজেলা সার্ভার স্টেশন এ গিয়ে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেন তাহলে তারাই আপনাকে সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করার মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে উত্তরণের সঠিক বিষয়গুলো জানিয়ে দেবে।

তাহলে আজকে আর দেরি না করে আপনার এই ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত যে ধরনের ঝামেলা রয়েছে সেগুলো নিয়ে আপনারা যথাস্থানে যোগাযোগ করুন এবং তারা আপনাদেরকে ঠিক যে সকল পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত করবে সেই পদ্ধতি অনুসরণ করে কাজ করলে ভোটার আইডি কার্ড বাতিল করতে পারবেন এবং কোন ধরনের আইনি ঝামেলা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে পারবেন।

আপনাদের সুবিধার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে ভোটার আইডি কার্ডের জন্য নতুন নিবন্ধনের আবেদন এবং ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন সহ বিস্তারিত তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট করা হয়েছে। আপনারা যদি আমাদের ওয়েবসাইটে সূচিপত্র দেখেন তাহলে বুঝতে পারবেন এখানে ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত যে ধরনের সমস্যা অথবা যে ধরনের তথ্যের প্রয়োজন হয় সেই ধরনের তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট দিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে আপনারা এখান থেকে সঠিক তথ্য দেখে নেওয়ার মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ডের যত কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button