ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা খরচ হয় তা আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে জেনে নিতে পারবেন। যদি আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডে ভুল পরিলক্ষিত করতে পারেন তাহলে এই ভুল সংশোধন করতে হবে এবং আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের সঙ্গে জন্ম নিবন্ধন সনদ এবং আপনার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সহ প্রত্যেকটি সার্টিফিকেটের যেন মিল থাকে তার জন্য আপনাকে আবেদন করতে হবে যাতে সংশোধন হয়ে আপনার হাতে সংশোধিত ভোটার আইডি কার্ড থাকে।

বিগত বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় ভোটার আইডি কার্ডের সঙ্গে অন্যান্য তথ্য মিল না থাকার কারণে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেকের নিয়োগের বাতিল হয়েছে। তাই আপনি যদি কোনভাবে বুঝতে পারেন আপনার ভোটার আইডি কার্ডে অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য মিল নেই তাহলে আপনাকে এটা অতীব তাড়াতাড়ি সংশোধন করে নিতে হবে। কিভাবে সংশোধন করবেন এবং কোথায় গিয়ে সংশোধন করবেন তা আমাদের ওয়েবসাইটের অন্য পোস্টে আলোচনা করা হয়ে থাকলেও আজকের এই পোস্টটি আমরা জানিয়ে দেবো ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার জন্য আপনাদের ঠিক কত টাকা খরচ হতে পারে।

তাহলে আপনারা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা খরচ করার মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করবেন যখন তখন কম্পিউটার অপারেটরকে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি প্রদান করার পাশাপাশি ওয়েবসাইটের অথবা বাংলাদেশ এনআইডি সার্ভিস এর ভোটার তথ্য সংশোধন করার ফি প্রদান করতে পারবেন। ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন করার জন্য আপনাদের বাংলাদেশ এনআইডি সার্ভিস এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে এবং এখানে আপনার তথ্য পরিবর্তন করার জন্য নির্দিষ্ট একটা প্রোফাইল ওপেন করতে হবে যাতে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের প্রত্যেকটি তথ্য সেখানে সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে।

এরপরে যখন আপনারা আপনাদের তথ্যের অথবা প্রোফাইল থেকে কোনো তথ্য আপডেট করতে চাইবেন অথবা তথ্য সংশোধন করতে চাইবেন তখন আপনাদের এই তথ্য সংশোধন বা তথ্যের আপডেট করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ফি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। যদি আপনি কোন তথ্য আপডেট করতে চান অর্থাৎ আপনার বৈবাহিক অবস্থা অথবা পাসপোর্ট নাম্বার আপডেট করতে চান তাহলে আপনাকে এই আবেদনের জন্য অথবা এই তথ্য আপডেট করার জন্য যে আবেদন করছেন তার জন্য 115 টাকা আবেদন ফি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো মাধ্যম ব্যবহার করে প্রদান করতে হবে।

আর যদি কারো পিতা অথবা মাতার নাম অথবা ঠিকানা সংক্রান্ত তথ্য অথবা জন্ম তারিখ সংক্রান্ত তথ্য যদি পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় তাহলে আপনাকে প্রাথমিকভাবে অর্থাৎ প্রথম তথ্য সংশোধনের জন্য 230 টাকা আবেদন ফি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে।যদি এই তথ্য সংশোধনের পর আবার কোন তথ্য সংশোধন করার প্রয়োজন হয় তাহলে আপনাদেরকে দ্বিতীয়বার তথ্য সংশোধনের আবেদন ফি 345 টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে।

ঠিক একই নিয়ম অনুসরণ করে আপনারা যদি তৃতীয় বার কোন তথ্য পরিবর্তন করতে চান অথবা কোন তথ্যের সংশোধন করতে চান তাহলে আপনাদেরকে 575 টাকা আবেদন ফি জমা দিতে হবে। যাইহোক আবেদনের ওপর ভিত্তি করে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করা যায় এবং এই ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ আবেদন ফি জমা দিয়ে সঠিকভাবে আবেদন করুন এবং সংশোধিত ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button